গৌরনদী
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
গত ১৩ এপ্রিল জাতীয় দৈনিক নয়া দিগন্তসহ সম্প্রতি সময়ে একাধিক অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “ গৌরনদীতে উন্নয়ন কাজ পেতে ১৪ শতাংশ লেনদেন” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট । এলাকার একটি কুচক্রি মহল কতিপয় সাংবাদিকদের প্ররোচিত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ঠিকাদার ও প্রশাসনের বিরুদ্বে মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া ও সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে। আমরা উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদে বলা হয়, গৌরনদী সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ পেতে শুরু থেকেই অঘোষিত লেনদেন বাধ্যতামূলক। কাজ পাওয়া পেথে শুরু করে বিল উত্তোলন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে ধাপে একটি নিদৃষ্ট হারে টাকা দিতে হয়। যার পরিমান ১৪ শতাংশ পৌছে। পরবর্তিতে একটি চক্র ওই টাকা ভাগাভাগি করেন বলে মিথ্যা সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই তথ্য সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। এলাকার একটি মহল সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত সংবাদে উপস্থাপিত তথ্য মিথ্যার বেসারতি ছাড়া আর কিছুই না, এতে বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। এ ছাড়া ওই মহল সামাজিক মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে মিথ্যাচার চালাচ্ছে।
মিথ্যা সংবাদে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধার আবাসন, টিআর (টেষ্টরিলিফ) কাবিটা (কাজের বিনিময় টাকা) প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পে অংশ নিতে হলে আগে থেকেই সমঝোতা করতে হয়। নির্ধারিত অর্থ দিতে না চাইলে দরপত্রে অংশ নিয়েও কাজ পাওয়া যায় না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দরপত্র বাতিল বা অন্যের নামে কাজ দেওয়া হয়। ব্রিজে ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা ঘরে ৮ শতাংশ ও টিআর কাবিটায় ১৪ শতাংশ টাকা দিয়ে বিল ছাড়াতে হয়। এই তথ্য সত্য নয়, বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করেছে। যাতে বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই। কিছু কথিত নামধারী সাংবাদিক অনৈতিক সুবিধা দাবি করে তা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে মিথ্য সংবাদ প্রকাশ করেছেন। প্রকৃত সত্য হল বর্তমান সময়ে যে কোন উন্নয়ন প্রকল্পর টেন্ডার হয় ইজিপি সিষ্টেমে, সেখানে দরপত্র নিয়ন্ত্রন করার কোন সুযোগ না। লটারীতে ঠিকাদার নির্ধারন করা হয়। কথিত সাংবাদিকরা মনগড়া তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ তৈরী করেছেন তার প্রমান হল প্রকাশিত মিথ্যা প্রতিবেদনে কোন ঠিকাদার কিংবা প্রকল্প বাস্তবায়নকারীর রেফারেন্স দিতে বা নাম উল্লেখ করতে পারেননি। সংবাদটি তৈরীতেও ব্যক্তির অভিযোগ নাই। মিথ্যা সংবাদে স্থানীয় প্রশাসনকে নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে। যা সঠিক নয়। মিথ্যা সংবাদে কোন ঠিকাদারের অভিযোগ ছিল না প্রতিবেদক নিজের মনগড়া তথ্যর কথা উল্লেখ করে মনের মাধুরী দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। বিশেষ মহলের প্ররোচনায় কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও কল্পনা প্রসূত। আমরা আবারও প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
ঠিকাদার ও বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারীর পক্ষে প্রতিবাদকারী
সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব
সভাপতি, গৌরনদী উপজেলা ঠিকাদার এসোসিয়েশন
ও
মোঃ আলী আকবর মোল্লা, রেফাজ উদ্দিন, মোঃ জামাল ফকির
মোঃ জাকির শরীফ, মোঃ সফিকুর রহমান,
মোঃ জামাল উদ্দিন, মোঃ রিয়াজ উদ্দির, গাজী আবু বকর
গৌরনদী, বরিশাল।


