বরিশাল
গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা মিস ফাতেমা বেগমের ইন্তেকাল, শিক্ষাঙ্গনে শোক
নিজস্ব প্রতিবেদকঃবরিশালের গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা ও প্রবীণ শিক্ষাবিদ মিস ফাতেমা বেগম আর নেই। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর রবিবার (১৮ জানুয়ারী) সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি ঢাকার পান্থপথে অবস্থিত সমরীতা হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
মিস ফাতেমা বেগম ১৯৬৮ সালে গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। প্রায় চার দশকের বেশি সময় নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর ২০০৮ সালে তিনি কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তাঁর মৃত্যুতে গৌরনদীর সকল স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মাঝে নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। রবিবার মরহুমার মরদেহ গৌরনদী কলেজ গেটের বিপরীতে পৌঁছালে ভারাক্রান্ত হৃদয়ে অসংখ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ী তাঁকে শেষবারের মতো দেখার জন্য সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনকালে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির সাজ্জাত হান্নান শরিফ, গৌরনদী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল নির্মল চন্দ্র হালদার, সাবেক প্রিন্সিপাল মীর আব্দুর আহসান, সহকারী প্রধান শিক্ষক আলী আজিম খান পলাশ, সিনিয়র শিক্ষক এস এম গিয়াস উদ্দিন, গৌরনদী সরকারি পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. ওলি উল্লাহ, পিঙ্গলাকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম আজমসহ গৌরনদীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ। বক্তারা মরহুমা মিস ফাতেমা বেগমের কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং বলেন, তাঁর অবদান গৌরনদীর নারী শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা রেখে যাবে। তাঁর মৃত্যু শিক্ষা অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


